শোবার ঘর থেকে টেনেহিঁচড়ে তুলে নেওয়া হয় মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে
Date: 2026-01-04
দীর্ঘদিন ধরে চাপ সৃষ্টির পর অবশেষে ভেনেজুয়েলায় ‘বড় হামলা’ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন বাহিনী দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে বন্দি করেছে। এই হামলা চালানোর কয়েক ঘণ্টা পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শনিবার ভোরে তাঁর নিজস্ব সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে হামলা ও তাদের বন্দি করার তথ্য দেন। তিনি ভেনেজুয়েলায় হামলাকে ‘একটি অসাধারণ অভিযান’ উল্লেখ করেছেন। পরে এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানান, শোবার ঘর থেকে মার্কিন বাহিনী মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে টেনেহিঁচড়ে তুলে নিয়ে যায়। গতকাল শনিবার বিসিবি, সিএনএন ও এপির প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।
তবে এ হামলার আইনি কর্তৃত্বের ব্যাপারে ট্রাম্প কংগ্রেসের সঙ্গে পরামর্শ করেছিলেন কিনা, সে বিষয়টি এখনও স্পষ্ট হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের এই হস্তক্ষেপ ১৯৯০ সালে পানামা আক্রমণের কথা মনে করিয়ে দেয়। ওই সময় পানামার নেতা ম্যানুয়েল আন্তোনিও নোরিগা আত্মসমর্পণ করেছিলেন। ঠিক ৩৬ বছর আগে সেই ঘটনাও ঘটেছিল শনিবার।
তবে ফক্স নিউজে ফোনে সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প মাদুরোকে কীভাবে আটক করা হয়েছে, তার বিস্তারিত তথ্য দিয়েছেন।
ট্রাম্প বলেন, মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে যুক্তরাষ্ট্রের শক্তিশালী যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস ইও জিমায় তোলা হয় নিউইয়র্কে নেওয়ার জন্য। তাদের আটকের অভিযানটি তিনি ফ্লোরিডার তাঁর মার-এ-লাগো রিসোর্টের একটি কক্ষে বসে দেখেছেন। তিনি বলেন, আমি ঘটনাটি দেখেছি ‘টেলিভিশন শো’র মতো। হামলায় কোনো মার্কিন নাগরিক নিহত হননি কিংবা কোনো মার্কিন বিমানও খোয়া যায়নি বলেও তিনি জানান।
ট্রাম্প বলেন, মাদুরোকে ম্যানহাটানের ফেডারেল আদালতে মাদক ও অস্ত্রের অভিযোগের মুখোমুখি হতে হবে। তিনি জানান, অভিযানের সময় অভিজাত মার্কিন বাহিনী মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে তাদের শোবার ঘর থেকে টেনেহিঁচড়ে তুলে নিয়ে যায়।
ভেনেজুয়েলার পরবর্তী ক্ষমতা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘ভেনেজুয়েলার নেতৃত্বের জন্য বিরোধীদলীয় নেতা মারিয়া করিনা মাচাদোকে সমর্থন করার বিষয়টি আমাদের বিবেচনা করতে হবে। আমাদের এখনই এটি দেখতে হবে।’
মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল পাম বন্ডি বলেছেন, নিউইয়র্কে মাদুরো ও স্ত্রীকে অভিযোগের মুখোমুখি করা হবে। বন্ডি সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে জানান, এই দম্পতি শিগগির যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে বিচারের মুখোমুখি হবেন।
শনিবার ভোরে ভেনেজুয়েলার রাজধানীতে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। উড়োজাহাজগুলোকে খুব নিচু দিয়ে উড়ে যেতে দেখা যায়। আগে থেকেই মাদুরোর সরকার যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বেসামরিক ও সামরিক স্থাপনায় হামলা করার অভিযোগ এনেছিল। এসব হামলাকে ‘সাম্রাজ্যবাদী হামলা’ বলে আখ্যায়িত করে কারাকাস। ক্ষমতা থেকে অপসারণ প্রচেষ্টার অভিযোগও তোলা হয়।
হামলার পর ভেনেজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ এক বিবৃতিতে জানান, প্রেসিডেন্ট মাদুরোর অবস্থান জানা না থাকায় আইন অনুসারে তিনি ক্ষমতা গ্রহণ করবেন। রদ্রিগেজ বলেন, প্রেসিডেন্ট ও তাঁর স্ত্রীর অবস্থান জানি না। তারা বেঁচে আছেন কিনা তার প্রমাণ আমরা চাই।
ট্রাম্প তাঁর পোস্টে বলেন, ‘মাদুরোকে তাঁর স্ত্রীসহ আটক করে দেশ থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। এই অভিযান মার্কিন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে যৌথভাবে পরিচালিত হয়েছে এবং তারা সফল হয়েছে।’
এদিকে মার্কিন অভিযান ৩০ মিনিটেরও কম সময় ধরে চলে। এ সময় কমপক্ষে সাতটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। মানুষ রাস্তায় ছুটে আসতে বাধ্য হয়। ভাইস প্রেসিডেন্ট রদ্রিগেজের মতে, মার্কিন হামলায় কিছু বেসামরিক নাগরিক ও সামরিক সদস্য নিহত হয়েছেন।
উটাহর মার্কিন সিনেটর মাইক লি এক্সে পোস্ট করেছেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও তাঁকে হামলা সম্পর্কে অবহিত করেছেন এবং বলেছেন মাদুরোকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রে তাঁর বিচার করা হবে। হোয়াইট হাউস তাৎক্ষণিকভাবে মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে, সে সম্পর্কে প্রশ্নের জবাব দেয়নি।
মার্কিন উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টোফার ল্যান্ডাউ সামাজিক মাধ্যমে এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, মাদুরোর আটকের ঘটনায় ভেনেজুয়েলায় একটি নতুন সকালের আগমন ঘটেছে। ‘অত্যাচারী’ মাদুরো চলে গেছেন। পরে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিও একটি রি-পোস্ট করেন। তাতে বলা হয়, ‘মাদুরো ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নন এবং তাঁর শাসন বৈধ নয়।’
মাদুরো সরকারের সমর্থক ও যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের প্রতিপক্ষ কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল দিয়াজ-ক্যানেল বারমুডেজ অভিযানকে ‘অপরাধমূলক আক্রমণ’ বলে অভিহিত করেছেন। এক্সে তিনি বলেন, আমাদের শান্তির অঞ্চলকে নির্মমভাবে আক্রমণ করা হচ্ছে। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও হামলার নিন্দা জানিয়েছে।
এর আগে শুক্রবার কারাকাসে চীনা কর্মকর্তাদের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় মাদুরোকে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে শেষবারের মতো দেখা যায়।
ট্রাম্প প্রশাসন মাদুরোর ওপর গত কয়েক মাস ধরে চাপ সৃষ্টি করছিল। দক্ষিণ আমেরিকার জলসীমায় পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরীয় ও ক্যারিবীয় অঞ্চলে মাদক বহনের অভিযোগে ভেনেজুয়েলার জাহাজগুলোতে একের পর এক হামলা চালাচ্ছিল মার্কিন বাহিনী। সর্বশেষ গত সপ্তাহেও ভেনেজুয়েলার মাদক কারবারিদের ব্যবহৃত একটি জেটিতে ড্রোন হামলা চালায় সিআইএ।
ট্রাম্প প্রশাসনের মতে, শুক্রবার পর্যন্ত ৩৫টি নৌকায় হামলা হয়েছে। এতে কমপক্ষে ১১৫ জন নিহত হয়েছেন। ট্রাম্প বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র মাদক ব্যবসায়ী চক্রের সঙ্গে ‘সশস্ত্র সংঘাতে’ লিপ্ত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে মাদক প্রবেশ বন্ধ করার জন্য ওইসব হামলার ব্যাপারে অনুমোদন দেয় ওয়াশিংটন।
জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হামলায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এই হামলা আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। বিবৃতিতে বলা হয়, মার্কিন হামলার ঘটনা এই অঞ্চলের জন্য সম্ভাব্য উদ্বেগজনক পরিণতি বহন করে।
কে পেতে যাচ্ছেন ভেনেজুয়েলার দায়িত্ব
বিবিসি জানায়, মাদুরোকে আটক করে দেশ থেকে বের করে দেওয়ার ঘটনায় ভেনেজুয়েলা শাসন করবে কে– এমন প্রশ্ন থেকেই যায়। এক্ষেত্রে তিনজন ব্যক্তি সামনে আছেন। তারা হলেন– ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো ক্যাবেলো এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী ভ্লাদিমির পাদ্রিনো লোপেজ। হামলার কয়েক ঘণ্টা পর তিনজনই টেলিভিশনে উপস্থিত হয়েছিলেন এবং জনগণকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছিলেন।
পাদ্রিনো ও ক্যাবেলো উভয়েরই সামরিক বাহিনীর মধ্যে উল্লেখযোগ্য প্রভাব রাখেন। অন্যদিকে রদ্রিগেজের বেসামরিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতা বেশি।
‘বিস্ফোরণে পুরো মাটি কেঁপে উঠল’
যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের পর কারাকাসের রাস্তায় বেরিয়ে আসে সাধারণ মানুষ। তারা বিভিন্ন স্থানে সমাবেশের চেষ্টা করে। এ সময় বেসামরিক মিলিশিয়ার পোশাকধারী সদস্যদেরও দেখা যায়। অনেকে ‘মাদুরোকে ফিরিয়ে দাও’ স্লোগান দিচ্ছিল। কারাকাসের কিছু অংশ বিদ্যুৎহীন ছিল, তবে গাড়ি চলাচল করতে দেখা যায়।
একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, হামলার সময় বিস্ফোরণগুলো রাতের আকাশকে আলোকিত করছে। মহাসড়ক দিয়ে তখনও গাড়ি চলছিল। কারাকাসের একটি সামরিক ঘাঁটির হ্যাঙ্গার থেকে ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়। তখন রাজধানীর আরেকটি সামরিক স্থাপনা ছিল বিদ্যুৎবিহীন।
ঘটনার বর্ণনা দিচ্ছিলেন ২১ বছর বয়সী অফিসকর্মী কারমেন হিডালগো। তিনি বলেন, বিস্ফোরণে পুরো মাটি কেঁপে উঠল। এটা ছিল ভয়াবহ। আমরা আবারও বিস্ফোরণ ও বিমানের শব্দ শুনতে পেলাম। কথা বলার সময় তাঁর কণ্ঠস্বর কাঁপছিল।
ভেনেজুয়েলার সরকারের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মাদুরো সব জাতীয় প্রতিরক্ষা পরিকল্পনা বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছেন এবং জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন।
কারাকাসে বসবাসকারী সাংবাদিক ভেনেসা সিলভা তাঁর জানালা দিয়ে একটি বিস্ফোরণ দেখতে পান। তিনি বিবিসিকে বলেন, বিস্ফোরণের শব্দ বজ্রপাতের চেয়েও শক্তিশালী ছিল। যার ফলে তাঁর বাড়ি কাঁপছিল। তিনি বলেন, ‘আমার হৃৎস্পন্দন হচ্ছিল এবং পা কাঁপছিল। বিস্ফোরণগুলো এত কাছে ছিল, তা দেখে তিনি ভয় পেয়েছিলেন।
বিদেশি সেনার উপস্থিতি প্রতিহত করার আহ্বান
শনিবার ভোরে যখন অভিযান চলছিল, তখন ভেনেজুয়েলায় বিদেশি সেনাদের প্রতিহত করার ঘোষণা দেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ভ্লাদিমিরি পাদ্রিনো লোপেজ। তিনি এক ঘোষণায় বলেন, মাদুরোকে বন্দি করা হয়েছে এবং দেশ থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা হাল ছাড়ব না। ভেনেজুয়েলা অবশ্যই জয়ী হবে। সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
লোপেজ বলেন, আমরা সর্বদা স্বাধীনতার জন্য লড়াই করব। আমরা স্বদেশ ও আমাদের জনগণের ঐক্যকে রক্ষা করে যাব। দরকষাকষির মাধ্যমে কেউ ভেনেজুয়েলার স্বাধীনতা কেড়ে নিতে পারবে না।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো ক্যাবেলো দেশের জনগণকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আমাদের নেতৃত্ব এবং পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য রাজনৈতিক ও সামরিক উচ্চ কমান্ডের ওপর আস্থা রাখুন।
কয়েকটি স্থানে বিস্ফোরণ, আগুন ও ধোঁয়া
কারাকাসের বিভিন্ন স্থানে বিস্ফোরণ, আগুন এবং ধোঁয়ার দৃশ্য দেখানো বেশ কয়েকটি ভিডিও পরীক্ষা করেছে বিবিসি। তাতে কোথায় কোথায় হামলা হয়েছে, চিহ্নিত হয়েছে। এ রকম তিনটি অবস্থানের বিষয় নিশ্চিত করেছে সংবাদমাধ্যমটি।
জেনারেলিসিমো ফ্রান্সিসকো ডি মিরান্ডা বিমানঘাঁটি ওরফে লা কার্লোটায় সামরিক বিমানক্ষেত্রের কাছে দুটি ধূম্রকুণ্ডলী ও বিস্ফোরণ ঘটতে দেখা গেছে। মিরান্ডা রাজ্যের লা গুয়াইরা বন্দর এলাকায় বেশ কয়েকটি কুণ্ডলীর প্রমাণ মিলেছে। সেখানে একটি স্থানে আগুন জ্বলতেও দেখা গেছে। এ ছাড়া পূর্ব মিরান্ডার হিগুয়েরোট বিমানবন্দরের দুটি স্থান থেকে আগুন উঠতে দেখা যায়। সম্ভত সেখানেও বিস্ফোরণ ঘটেছে।
বিভিন্ন দেশের প্রতিক্রিয়া
ভেনেজুয়েলায় হামলার নিন্দা জানিয়েছে ইরান ও রাশিয়া। ইরানের ভাষ্য, এই হামলা ভেনেজুয়েলার জাতীয় সার্বভৌমত্ব এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে হামলাকে ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র আগ্রাসন বলে অভিহিত করেছে। রাশিয়া জানায়, এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে ন্যায্যতা দেওয়ার জন্য যে কোনো অজুহাত ভিত্তিহীন। আরও উত্তেজনা বৃদ্ধি রোধ করতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদকে সংলাপের আহ্বান জানিয়েছে মস্কো।
চীন নিন্দা জানিয়ে বলেছে, এ ঘটনা সার্বভৌম রাষ্ট্র এবং মাদুরোর বিরুদ্ধে স্পষ্টতই বলপ্রয়োগ। ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতি-প্রধান কাজা ক্যালাস বলেছেন, আমরা ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। সব পক্ষকে সংযম বজায় রাখার আহ্বান জানাচ্ছি। তিনি বলেন, ইইউ বারবার বলেছে, মাদুরোর শাসনের বৈধতার অভাব রয়েছে। সব পরিস্থিতিতে সবাইকে আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে।
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বলেন, আমার দেশ ভেনেজুয়েলায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় জড়িত ছিল না। আমি ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলতে এবং কী ঘটেছে তার সম্পূর্ণ তথ্য জানতে চাই। আমি স্পষ্ট করে বলতে পারি, আমরা এ হামলায় জড়িত ছিলাম না। জার্মানির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা উদ্বেগের সঙ্গে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।

