চুয়াডাঙ্গা জেলার দুইটি সংসদীয় আসনের ৩৫৪টি কেন্দ্রের ব্যালট পেপারসহ নির্বাচনী সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার বেলা ১১টা থেকে জেলার চারটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে এসব উপকরণ বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়। সেই সঙ্গে ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তায় আনসার সদস্যদেরকেও নিরাপত্তা সরঞ্জামাদি দেওয়া হয়।
চুয়াডাঙ্গা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চুয়াডাঙ্গার দুটি সংসদীয় আসনের মধ্যে চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে ১৮০টি এবং চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে ১৭৪টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণের জন্য উপজেলা পরিষদ থেকে নির্বাচনী সরঞ্জামাদি দেওয়া হয়েছে।
প্রতিটি কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসারের কাছে ব্যালট বাক্স, ব্যালট পেপার, ভোটার তালিকা, অমোচনীয় কালি, সিলপ্যাড ও সিলসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট নানা নথিপত্র হস্তান্তর করা হয়।
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ৯২টি, দামুড়হুদা উপজেলায় ৯১টি, জীবননগর উপজেলায় ৫৯টি এবং আলমডাঙ্গা উপজেলায় ১১২টি ভোটকেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসারদের এ সব নির্বাচনী সরঞ্জামাদি প্রদান করা হয়েছে। সেইসঙ্গে উপজেলা পরিষদ থেকেই আনসার সদস্যদেরকে নিরাপত্তা সামগ্রী দেওয়া হয়। সদর উপজেলার ২২২ জন আনসার সদস্যকে ১টি শর্টগান ১০টি রাবার বুলেট ১০টি সীসা বুলেট এবং ১টি বুলেট ক্যারি ব্যাগ দেওয়া হয়।
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা রিফাত আরা জানান, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ৯২টি ভোটকেন্দ্রে নির্বাচনী উপকরণ প্রদান করা হয়েছে। সেই সঙ্গে কেন্দ্রের নিরাপত্তায় কঠোর অবস্থানে আছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
তিনি জানান, জেলার দুটি সংসদীয় আসনে ১৬ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হয়েছে, যাদের সাথে থাকবে সেনাবাহিনী, বিজিবি, আনসার ব্যাটেলিয়ান ও র্যাব।
চুয়াডাঙ্গার দুটি সংসদীয় আসনের ভোটকেন্দ্রগুলোতে নির্বাচনী সরঞ্জামাদি প্রদান সম্পন্ন হয়েছে। সেইসঙ্গে ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তায় প্রশাসনিক তৎপরতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। অতি ঝুঁকিপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতেও বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।