নির্বাচনে নিরপেক্ষ থেকে দায়িত্ব পালন করবে সেনাবাহিনী

Date: 2026-02-06
news-banner

নির্বাচনের আগে ও পরে যে কোনো ধরনের সহিংসতা বা নাশকতা প্রতিরোধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে সেনাবাহিনী বদ্ধপরিকর। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থেকে দায়িত্ব পালন করবে সেনাবাহিনী। যদি সত্যি সত্যি কোনো ক্ষেত্রে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের প্রয়োজন হয় তাহলে রুলস অব এনগেজমেন্টে ক্রমান্বয়ে বলপ্রয়োগের যে মাত্রা বাড়ার একটি প্রক্রিয়া আছে, সেটি অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জেলা ও উপজেলার সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষায় সেনাসদরে একটি মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে। 

গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর গুলিস্তানে রোলার স্কেটিং কমপ্লেক্সে ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’ কার্যক্রম নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন সেনাসদরের সামরিক অপারেশনস পরিদপ্তরের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মোহাম্মদ মনজুর হোসেন। 

এর আগে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে গুলিস্তানে জাতীয় স্টেডিয়ামে সেনা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন এবং অসামরিক প্রশাসনের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

নির্বাচনের আগে এবং নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে সেনাবাহিনীর নিজস্ব কোনো হুমকি বিশ্লেষণ আছে কিনা জানতে চাইলে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মোহাম্মদ মনজুর হোসেন বলেন, হুমকি মূল্যায়নের ভিত্তিতেই মোতায়েন পরিকল্পনা করা হয়েছে। অবশ্যই একটি সেনাবাহিনী তার কর্মপন্থায় প্রথম কাজ যেটি করে তা হচ্ছে হুমকি বিশ্লেষণ। 
নির্বাচনে প্রাণঘাতী নয়–এমন অস্ত্র ব্যবহার নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গত দেড় বছর সেনাবাহিনী তার নিজস্ব দায়িত্বের বাইরে এসে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অসামরিক প্রশাসনকে সহযোগিতা করছে। তাদের পুলিশিং করতে হয়েছে। আমরা প্রাণঘাতি (নন লিথ্যাল ওয়েপন) নয় এমন অস্ত্র এবং রায়ট কন্ট্রোল ইকুইপমেন্ট দিয়ে আমাদের বাহিনীকে ইকুইপ করেছি। ক্ষেত্র বিশেষে তাদের প্রশিক্ষণও দিয়েছি। নির্বাচনকেন্দ্রিক কথা যদি বলি আমরা নির্বাচনকে সামনে রেখে আরও বেশকিছু রায়ট কন্ট্রোল ইকুইপমেন্ট সেনা সদস্যদের জন্য নিয়ে এসেছি। পুলিশের কাছ থেকে আমরা কোনো নন-লিথ্যাল ওয়েপন গ্রহণ করছি না। 

বড় দলগুলোর পাল্টাপাল্টি অভিযোগ, শক্তি প্রদর্শন, ভুয়া ব্যালট ছাপানো–এসব প্রসঙ্গে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি কোনো আহ্বান আছে কিনা এবং নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে এখনও যে সংশয় আছে, এতে সরকারের ব্যর্থতা দেখছেন কিনা–সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে সেনা সদরের সামরিক অপারেশনস পরিদপ্তরের পরিচালক বলেন, সংশয় দূর করতেই সেনাবাহিনী প্রধান অংশীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন। তাঁর লক্ষ্য ছিল, প্রশাসন ও বাহিনীকে আশ্বস্ত করা এবং জনগণের মধ্যে আস্থা তৈরি করা। পাল্টাপাল্টি অভিযোগ নির্বাচনী সংস্কৃতির অংশ। যতক্ষণ সাধারণ মানুষের জানমালের ক্ষতি না হয়, ততক্ষণ এটি প্রশাসনিক বিষয়। তবে অসামরিক প্রশাসন প্রয়োজন মনে করলে সেনাবাহিনী তাৎক্ষণিক সহায়তা দেবে। মনে রাখতে হবে, মাঠপর্যায়ে নির্বাচনের দায়িত্ব রিটার্নিং কর্মকর্তা ও পুলিশ প্রশাসনের। 

একটি রাজনৈতিক দলের দুজন শীর্ষ নেতার সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়েছে, যা ব্যাপক বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে। এই হ্যাকারদের চিহ্নিত করতে সেনাবাহিনীর আইটি সেকশন বা সেনাবাহিনী কোনো ভূমিকা রাখছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের নিজস্ব প্রয়োজনে আমরা যেন এই আক্রমণের শিকার না হই সে প্রস্তুতি আমরা নিয়েছি। এর বাইরে প্রত্যেকের যার যার জায়গা থেকে এই প্রস্তুতি নিতে হবে। আমি আশ্বস্ত করতে পারি যে সেনাবাহিনী তার যেসব আইটি সাইট আছে সেগুলো যেন হ্যাক না হয় সে ব্যাপারে যতটুকু প্রস্তুতি নেওয়ার সেই প্রস্তুতি নিয়েছে এবং নিচ্ছে। সেনাবাহিনী নিয়মিতভাবে তাদের সাইবার নিরাপত্তা প্রস্তুতি হালনাগাদ করছে। 

নির্বাচনকালীন সেনাবাহিনী মোতায়েন থাকা অবস্থায় ভোটের আস্থা যদি ক্ষুণ্ন হয় এবং নির্বাচনের পর ফলাফল নিয়ে কোনো প্রশ্ন ওঠে তবে সেনাবাহিনী মাঠে গণতান্ত্রিকভাবে নিরপেক্ষ ছিল, এটি কীভাবে প্রমাণ করবে, এর দায় সেনাবাহিনী নেবে কিনা–এমন প্রশ্নের জবাবে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মোহাম্মদ মনজুর হোসেন বলেন, সেনাবাহিনী একটি সুশৃঙ্খল বাহিনী। দেশমাতৃকার সেবায় নিয়োজিত একটি বাহিনী। সেনাপ্রধান পরিষ্কারভাবে একটি কথা বলে দিয়েছেন যে, সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে আমরা আমাদের দায়িত্ব পালন করব। দেশের সাধারণ মানুষ যেন নির্বিঘ্নে ও নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে যেতে পারে এবং ভোট দিতে পারে, এটি নিশ্চিত করা হবে আমাদের অন্যতম দায়িত্ব। আমরা যদি আমাদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে পারি তাহলে আপনাদের (সাংবাদিক) মাধ্যমে জনগণ আমাদের নিরপেক্ষতার প্রমাণ আলাদা করে পেয়ে যাবে। 

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতিতে মব ও হামলার ঘটনা ঘটছে। প্রথম আলো, ডেইলি স্টার কার্যালয়ে হামলার ঘটনাও উল্লেখযোগ্য। ভোটের দিন কেন্দ্র দখল বা ব্যালট ছিনতাইয়ের মতো পরিস্থিতি তৈরি হলে সেনাবাহিনী কী করবে–এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সরকার, নির্বাচন কমিশন, অসামরিক প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সশস্ত্র বাহিনী সমন্বিতভাবে একটি সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন অনুষ্ঠানে বদ্ধপরিকর, এই বার্তাটি পৌঁছে দেওয়াই মূল লক্ষ্য। আইন অনুযায়ী যা করণীয়, তা করতে সেনাবাহিনী সর্বদা প্রস্তুত। 
একটি বড় রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকার কারণে এই নির্বাচন থেকে বাইরে আছে এবং এই দলের অনেক নেতাকর্মী আত্মগোপনে আছেন। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বা ভার্চুয়াল জগতে দেখা যাচ্ছে দলটির পক্ষ থেকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার বিষয়ে বা না যাওয়ার বিষয়ে দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কোনো থ্রেট (হুমকি) পেয়েছে কিনা জানতে চাইলে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মোহাম্মদ মনজুর হোসেন বলেন, রাজনৈতিক বিষয়গুলোতে আমি আলোচনায় যাব না। যেকোনো ধরনের সহিংসতা বা নাশকতা প্রতিরোধে যে ধরনের প্রস্তুতি দরকার, অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনীও সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পার্বত্য চট্টগ্রাম ও রোহিঙ্গা ক্যাম্প নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম সবসময় একটি সেনসিটিভ জায়গা এবং এ ব্যাপারে আপনারা জানেন যে শুধুই বর্তমানে নির্বাচনকেন্দ্রিক নয়, নির্বাচনের পূর্বাপর সময়ও ওখানে আমাদের সেনা মোতায়েন সার্বক্ষণিক থাকে। যেই আশঙ্কার কথা বলেছেন এগুলো আমাদের অ্যাসেসমেন্টের মধ্যে নিয়েছি।
বিজিবি বলেছে তারা কোনো অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করবে না। নির্বাচনী কেন্দ্রগুলোর অবস্থা বিবেচনায় যদি অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের প্রয়োজন হয় সে ক্ষেত্রে সেনাবাহিনী কী করবে– জানতে চাইলে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মোহাম্মদ মনজুর হোসেন বলেন, সেনাবাহিনীর জন্য সুনির্দিষ্টভাবে এনগেজমেন্ট বলে দেওয়া আছে। আমরা আইনের আওতায় থেকে সে রুলস অফ এনগেজমেন্ট অনুসরণ করে দায়িত্ব পালন করে থাকি। 

আগামী নির্বাচন ঘিরে সেনাবাহিনীর এক লাখ সদস্য মাঠে রয়েছেন। অন্যান্য নির্বাচনের সময় তুলনা করলে এত বেশিসংখ্যক সেনা সদস্য কেন মোতায়েন করা হয়েছে? টিআইবির প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ১৭ মাসে ছয় শতাধিক সহিংস ঘটনা ঘটেছে। দীর্ঘ দিন সেনাবাহিনী মাঠে থাকার পরও কেন ঘটনাগুলো ঘটেছে–এসব প্রশ্নের জবাবে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মোহাম্মদ মনজুর হোসেন বলেন, পূর্ববর্তী নির্বাচনগুলোতে ৪০ থেকে ৪২ হাজার সদস্য মোতায়েন করেছি। এবার এক লাখ মোতায়েন করা হয়েছে। কেন বিশাল পার্থক্য। এবারের নির্বাচনে সেনাবাহিনী, এমনকি সশস্ত্র বাহিনীও ভোটকেন্দ্রের আঙ্গিনা পর্যন্ত যেতে পারবে। আগে আমরা স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দূরবর্তী একটা জায়গায় অবস্থান করতাম। একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য ন্যূনতম প্রয়োজনীয় সদস্যদের রেখে বাকিদের নিয়োজিত করেছেন সেনাপ্রধান। যে কোনো সহিংস ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত। আমরা চাই না হতাহতের ঘটনা ঘটুক, তবে ঘটেছে। ২০ জানুয়ারির আগ পর্যন্ত ৩৫ হাজার সেনা সদস্য মাঠে ছিলেন। তখন এসব ঘটনা ঘটেছে। আমরা যদি না থাকতাম তাহলে বাড়ত না কমত? 

তিনি বলেন, আমি চাই যে আপনাদের মাধ্যমে এই উপলব্ধিটা সবার মাঝে ছড়িয়ে যাক। এটি জনবহুল দেশ, অনেক মানুষের দেশ। এর মাঝে এক লাখ সেনা সদস্য নিয়োগ করার পরেও সত্যিকার অর্থে অপ্রতুল। দুর্গম জায়গা আছে, বিপদসংকুল কেন্দ্র আছে–সব জায়গায় আমরা থাকতে পারছি না। এর পরেও চেষ্টার কোনো ত্রুটি নেই। 
আফগানিস্তানের একজন পদস্থ ব্যক্তি বাংলাদেশ সফর করেন। লস্কর-ই-তৈয়বার সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। নির্বাচন পরবর্তী সহিসংতায় এ ঘটনা প্রভাব ফেলবে কিনা। এ ছাড়া সশস্ত্র বাহিনীর জন্য প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কেনাকাটার চুক্তি হচ্ছে। বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের জন্য এই মুহূর্তে কোনো হুমকি রয়েছে কিনা। এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যে কোনো দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার দায়িত্ব সশস্ত্র বাহিনীর। সেনাবাহিনীকে সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য প্রস্তুত রাখতে হয়। এটি রাখতে গিয়ে যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আধুনিক অস্ত্র, প্রশিক্ষণ এগুলো চলমান প্রক্রিয়া। সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো ঝুঁকি চিন্তা করছি না। 

সামাজিক মাধ্যমে মিথ্যা তথ্য ও অপতথ্য প্রচার এবারের নির্বাচনে বড় হুমকি উল্লেখ করে দেওয়ান মোহাম্মদ মনজুর হোসেন বলেন, অপতথ্যের মাধ্যমে প্রার্থী বা দলকে হেয় করা, ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যেতে নিরুৎসাহিত করা কিংবা নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করা অথবা যেকোনো একটি ছোট বিষয়কে অতিরঞ্জিতভাবে প্রকাশ করে সাধারণ মানুষের মনে ভীতির সঞ্চার করার চেষ্টা হতে পারে। এ ধরনের অপপ্রচার প্রতিরোধে গণমাধ্যমের সহযোগিতা চেয়েছেন তারা।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির পাশাপাশি অস্ত্র উদ্ধারের হারও বেড়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ২০ জানুয়ারি থেকে গত ১৪ দিনে দেড় শতাধিক অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে, যার অধিকাংশই দেশি-বিদেশি পিস্তল। এ ছাড়া গোলাবারুদ, ককটেল ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। ৩১ জানুয়ারি যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলায় যৌথ অভিযানে চারটি বিদেশি পিস্তল ও ১০টি গ্রেনেডসদৃশ হাতবোমা উদ্ধার করা হয়। এ পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোট ১০ হাজার ১৫২টি অস্ত্র ও ২ লাখ ৯১ হাজার গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে। একই সঙ্গে ২২ হাজার ২৮২ জন চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও দুষ্কৃতকারীকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

দুর্গম ও ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে নির্বাচনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও সরঞ্জাম পরিবহনে সামরিক হেলিকপ্টার ও জলযান প্রস্তুত থাকবে জানিয়ে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, দ্রুত সাড়া দেওয়ার জন্য বিভিন্ন স্থানে আগে থেকেই হেলিকপ্টার মোতায়েন থাকবে। সেনাপ্রধানের নির্দেশনায় নির্বাচন কমিশন, অন্তর্বর্তী সরকার, অসামরিক প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, গণমাধ্যম ও জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনী সর্বাত্মক সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত আছে।

advertisement image

Leave Your Comments

Trending News