জয়পুরহাট-২ (কালাই-ক্ষেতলাল-আক্কেলপুর) আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থীকে আনুষ্ঠানিকভাবে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন এবি পার্টির এসএ জাহিদ। শনিবার ক্ষেতলাল সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজ মাঠে জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত জনসভায় এ ঘোষণা দেন তিনি।
তিনি বলেন, ১১ দলীয় জোটের শরিক হিসেবে তিনি এখন থেকে জোটের প্রার্থী জামায়াত নেতা এসএম রাশেদুল আলম সবুজের পক্ষে মাঠে কাজ করবেন। নির্বাচনে যদি দাঁড়িপাল্লার ভোট চুরির চেষ্টা করা হয়, তাহলে আবু সাঈদের মতো বুক পেতে তা প্রতিহত করা হবে।
জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান। তিনি বলেন, যারা নির্বাচনের আগেই খুন-খারাবিতে জড়িত, তারা ক্ষমতায় গেলে দেশে সহিংসতা আরও বেড়ে যাবে। তিনি আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে মানবিক ও সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সহায়তার আহ্বান জানান।
এসএম রাশেদুল আলম সবুজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় জোটের বিভিন্ন শরিক দলের নেতারা বক্তব্য দেন। তারা জোটের ঐক্য, নির্বাচনকেন্দ্রিক শৃঙ্খলা এবং ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
জোটবদ্ধ হওয়ায় জয়পুরহাট-১ আসনে এবি পার্টির প্রার্থী সুলতান মো. শামছুজ্জামান তাঁর প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেও জয়পুরহাট-২ আসনে এসএ জাহিদ ‘ঈগল’ প্রতীক নিয়ে সক্রিয়ভাবে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছিলেন। এরই মধ্যে গত ২৫ জানুয়ারি কালাই উপজেলার মোসলেমগঞ্জ বাজারে নির্বাচনী প্রচারণার মাইক কেড়ে নেওয়াকে কেন্দ্র করে জামায়াত ও এবি পার্টির কর্মীদের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।
শনিবারের জনসভায় প্রকাশ্য সমর্থনের ঘোষণার মাধ্যমে সেই দ্বন্দ্বের অবসান ঘটে। ফলে জয়পুরহাট-২ আসনে জোটের নির্বাচনী প্রচারণা আরও সংগঠিত ও শক্তিশালী হবে বলে মনে করেন অনেকে।