সার্ভারে জমা হয় ম্যাপের তথ্য

Date: 2026-02-02
news-banner

অচেনা কোথাও পা বাড়ালে প্রধান ভরসা এখন গুগল ম্যাপ। কিন্তু কাজ শেষ হলে কি আদতে লোকেশন বন্ধ করা হয়? করলেও গুগলের যে কোনো অ্যাপে কিছু একটা করলেই এই ডেটা পৌঁছে যায় গুগল সার্ভারে।
ঠিক এভাবেই কখন কোথায় থাকছি, ঘুরছি, বেড়াচ্ছি– এসব তথ্য নিয়মিত জমা পড়ে গুগল ম্যাপের টাইমলাইনে।

বন্ধ লোকেশন
এসব ডেটা তৈরি এড়াতে অনেকে লোকেশন বন্ধ করেন, তা ঠিক। আবার ডিলিট করেন ম্যাপের টাইমলাইন। কিন্তু তাতেও রয়ে যায় লোকেশনের বিশদ তথ্য, যা পরে ব্যবহৃত হয় সুনির্দিষ্ট বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের পথপ্রদর্শক হিসেবে।

যা করলে ডেটা তৈরি হবে না
এ ক্ষেত্রে মাই অ্যাক্টিভিটি পেজ অপশনে গিয়ে নিয়মিত ডিলিট অ্যাক্টিভিটি করলে তা বেশ কার্যকর হয়। ভালো সমাধান হলো গুগল ম্যাপের পরিবর্তে ম্যাপের এমন অ্যাপ ব্যবহার করা, যারা
প্রাইভেসিকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেয়।

নতুন কিছু অ্যাপ
ওয়েজ ম্যাপ ভালো হলেও সংস্থাটি গুগলের অন্তর্ভুক্ত। ফলে একই সমস্যা তৈরি হবে।
অ্যাপল ম্যাপ প্রাইভেসি আর লোকেশনে দুর্দান্ত হলেও যেহেতু আইফোন ছাড়া অচল, তাই অ্যান্ড্রয়েডে এটি অচল। ভালো সমাধান হতে পারে হিয়ারউইগো বা ম্যাপকোয়েস্ট-এর মতো বেশ কিছু লোকেশন অ্যাপ।

শুধু অ্যাপ নয়, স্মার্টফোনের সেটিংস নিয়ন্ত্রণ করে এর ভালো সুবিধা নেওয়া যেতে পারে। অনেকেই লোকেশন বন্ধ করলেও লোকেশন হিস্ট্রি, ওয়েব অ্যান্ড অ্যাপ অ্যাক্টিভিটি বা ব্যাকগ্রাউন্ড লোকেশন অ্যাকসেস না জেনে সচল করে রাখেন।
ফলে অ্যাপ বন্ধ হলেও পেছনে লোকেশন 
ডেটা তৈরি হতে থাকে।

টাইমলাইনে নজরদারি 
অ্যান্ড্রয়েডে গিয়ে লোকেশন সেটিংস থেকে প্রতিটি অ্যাপের অনুমতি (পারমিশন) আলাদা করে নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। এর প্রয়োজন না হলে ‘অ্যালাও অল দ্য টাইম’ না রেখে ‘অ্যালাও অনলি হোয়াইল ইউজিং দ্য অ্যাপ’ নির্বাচন করলে অনেকাংশে বাড়তি নিরাপত্তা পাওয়া যায়।
নিয়মিত টাইমলাইনে গিয়ে কোন কোন জায়গার ডেটা জমছে, তা জেনেবুঝে ডিলিট করলে প্রাইভেসি অনেকটা সুরক্ষিত হয়। সচেতন 
থাকলে গুগল ম্যাপ ব্যবহার করেও নিজের লোকেশন অন্যের কাছ থেকে আড়াল করে গোপনীয়তাকে সুরক্ষ দেওয়া যায়।

advertisement image

Leave Your Comments

Trending News