বিসিবি পরিচালক পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন ইসতিয়াক সাদেক। পরিচালনা পর্ষদের সভায় গতকাল পদত্যাগপত্র পাঠান তিনি। ক্লাব ক্যাটেগরি থেকে নির্বাচিত পরিচালক ছিলেন ইসতিয়াক। পরিচালক পদ ছাড়লেও ধানমন্ডি স্পোর্টস ক্লাবের কাউন্সিলর হিসেবে ক্রিকেটের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকবেন তিনি।
পরিচালক পদ থেকে কেন পদত্যাগ করেছেন জানতে চাওয়া হলে ইসতিয়াক সাদেক বলেন, ‘ব্যক্তিগত কারণে আমি পদত্যাগ করেছি। কারণ, আমি সময় দিতে পারছিলাম না।’
বিসিবিতে ২৩ জন পরিচালক নির্বাচিত হন। সবচেয়ে বেশি ক্লাব ক্যাটেগরি থেকে ১২ জন, জেলা ও বিভাগীয় ক্যাটেগরি থেকে ১০ জন, সাবেক খেলোয়াড় ও সংস্থা থেকে একজন করে পরিচালক নির্বাচিত হন। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ থেকে দুজন পরিচালক মনোনীত হন। ইসতিয়াক পদত্যাগ করায় এখন ২৪ জন পরিচালক থাকলেন।
ফিক্সিংয়ের অভিযোগ থাকায় পরিচালক মোখলেসুর রহমান শামীম বোর্ড সভায় যোগ দেননি। অডিট কমিটির চেয়ারম্যানের পদ থেকেও সরে দাঁড়িয়েছেন তিনি। ঢাকা ক্রিকেট কমিটি অব মেট্রোপলিশ (সিসিডিএম) চেয়ারম্যান আদনান রহমান দীপন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। তাঁর দেশে ফেরা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন অনেকে।
বিসিবির বর্তমান নির্বাচিত কমিটিকে বৈধ মনে করেন না বিদ্রোহী ক্লাব সংগঠকরা। সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের বিরুদ্ধে সরকারি ক্ষমতা ব্যবহার করে অ্যাডহক কমিটি থেকে জেলা ও বিভাগের কাউন্সিলর মনোনয়ন অবৈধ দাবি করে রিট করা হয়েছিল। বিসিবি নির্বাচনের সময় বুলবুলের পক্ষে সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ স্টে অর্ডার নিয়ে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচন সম্পন্ন করেন।
আসিফ মাহমুদের চাওয়া মতো শাখাওয়াত হোসেনকে সিনিয়র সহসভাপতি পদে নির্বাচিত করেন পরিচালকরা। অথচ সাবেক সভাপতি ও সাবেক অধিনায়ক ফারুক আহমেদ বর্তমান বোর্ডে রয়েছেন। তাঁর মতো একজন পরিচালককে করা হয়েছে দ্বিতীয় সহসভাপতি। বিভাগীয় পর্যায় থেকে যাদের পরিচালক করা হয়েছে তাদের ব্যাপারে ভালো কোনো রেকর্ডও নেই।