২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সহায়তাকারী শীর্ষ ২৫ ব্যবসায়ীর বিচার চেয়ে ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন বিভাগে অভিযোগ দাখিল করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। একই সঙ্গে অজ্ঞাতনামা আরও ২০০ ব্যবসায়ীকে আসামি করা হয়।
গতকাল মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে লিখিত এ অভিযোগ করে সংগঠনটির প্রতিনিধি দল। পরে প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান সংগঠনের সভাপতি রিফাত রশিদ।
তিনি বলেন, ‘আমরা ২৫ জন ব্যবসায়ীর নাম চিহ্নিত করেছি এবং তাদের নামে অভিযোগ করেছি। অজ্ঞাতনামা আরও দুইশজনের অধিক রয়েছে। এই আওয়ামী টাকায় আমার ভাই শরিফ ওসমান বিন হাদিকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে, বোনদের অনলাইনে লাঞ্ছিত করা হচ্ছে। এসব ব্যবসায়ী এখনও আওয়ামী লীগকে অর্থের জোগান দিচ্ছে। তদন্ত করে অবিলম্বে তাদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তারা।’
লিখিত অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের ২২ জুলাই ইন্টারনেট শাটডাউন চলাকালে এসব ব্যবসায়ী শেখ হাসিনার সঙ্গে গণভবনে বৈঠক করেন। বেক্সিমকো গ্রুপের কর্ণধার ও শেখ হাসিনার উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের নেতৃত্বে বৈঠকে গণআন্দোলন দমনে সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেন তারা। এসব ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে গণহত্যায় মদদ দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।